শিরোনাম :
কৃষির আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত সংসদের ক্লিন সিটি গড়ে তুলতে নানা পদক্ষেপের কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় বৃষ্টি কমতে পারে দুপুরে, দিনভর মেঘলা থাকবে আকাশ সংসদ ফজলুর রহমান ও বিরোধীদলীয় নেতার বাহাসে সংসদে উত্তাপ! টি-টোয়েন্টি শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারল বাংলাদেশ গাইবান্ধায় জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালিত সোনারগাঁ ৩১৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৩ শিক্ষক, চরম সংকটে পাঠদান কুমিল্লা বৃষ্টিতে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পানির নিচে চট্টগ্রাম স্বল্প সময়ের বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা, স্থবির নগরজীবন
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না : শামীম

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বঙ্গবন্ধুর নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না : শামীম

নিজস্ব প্রতিবেদক
পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ সৃষ্টি হতো না। বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ এক ও অভিন্ন। ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট খুনি মোশতাক, জিয়াউর রহমান গংরা মনে করেছিল জাতির পিতাকে হত্যা করে তার নাম মুছে ফেলবে। কিন্তু তাঁর নাম মুছে ফেলা যায়নি।

 

কারণ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের হৃদয়ে। কাগজের নাম ছিড়ে ফেলা যায়, দেয়ালের নাম মুছে ফেলা যায়, কিন্তু হৃদয়ে লেখা নাম মুছে ফেলা যায় না। কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার সকালে ডিআরইউ’র নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত “বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ” আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম হাসিবের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ। সম্মানিত আলোচক ছিলেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি এম শফিকুল করিম।

আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, বঙ্গবন্ধু হচ্ছে পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র নেতা যিনি প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি না হয়েও যা বলতের তৎকালীণ পূর্ব বাংলার সাড়ে ৭ কোটি মানুষ তাই করতেন। এটা একদিনে হয়নি। ধাপে ধাপে ধীরে ধীরে আটচল্লিশ, বায়ান্ন, বাষাট্টি, ছিষট্টি, উনসত্তুর, একাত্তরে। বঙ্গবন্ধুকে অনেকেই মহাত্মাগান্ধী, কায়েদ-ই-আজমসহ অনেক বিশ্ব নেতার সঙ্গে তুলনা করেন। মহাত্মগান্ধী কিন্তু কংগ্রেস সৃষ্টি করেন নাই। কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। কায়েদ-ই-আজম মুসলিম লীঘ সৃষ্টি করেন নাই। মুসলীম লীগের যোগদিয়েছিলেন।

আর বঙ্গবন্ধু হচ্ছে পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল একজন নেতা যিনি একটি রাজণৈতিক দলকে তিলে তিলে গড়ে তুলে সেই রাজনৈতিক দলেল নেতৃত্বে একটি দেশকে স্বাধীণ করেছিলেন। সেই দেশের নাম হচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি বরেছিলেন আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না মানুষের অধিকার চাই। আসলে তিনি স্বাধীণতা চেয়েছিলেন। অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি সংগ্রাম করেছিলেণ। প্রদানমন্ত্রী তিনি হতে পারেতনই। মন্ত্রীত্ব কে তিনি ইস্তফা দিয়েছেন আওয়াশী লীগকে শক্তিশালী করার জন্য। কারন তার লক্ষ্য নির্ধারিত ছিলো। তার লক্ষ্য ছিলো আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে তিলে তিলে গড়ে তুলে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। এবং পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমাদের বিজয়ী হতে হবে।

শামীম বলেন, বাংলাদেশের নামও তিনি আগে থেকেই ঠিক করে রেখেছিলেন। তিনি ছাত্রলীগকে দিয়ে আগেই পতাকা উড়িয়েছিলেন সবুজের বুকে রাল। রবীন্দ্রনাথের ‘আমারা সোনার বাংলঅ আমি তোমায় ভালোবাসি’ জাতীয় সংগীত করার বিসয়ে আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য হারুন-অর রশীদ বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পেরেছে কিন্তু দেশের মানুষের হৃদয় থেকে তার নাম মুছে পেলতে পারে নি। এটা কখনো সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধু খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিলো কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আজ বিচার হয়েছে। এর মাধ্যমেআইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের মুখচ্ছবি, তিনি চিরঞ্জিব। যারা বঙ্গবন্ধুকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চেয়েছে তারাই ইতিহাস থেকে মুছে গেছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com